বর্তমান সময়ে বিদ্যুৎ ছাড়া কোন কিছু করা প্রায় অসম্ভব। বিদ্যুৎ ছাড়া সব কিছুই যেন
চখের পলকে থমকে যায়। তাই আমাদের দৈনন্দিন জীবনে বিদ্যুৎ এর ব্যবহার বেড়েই চলেছে,
আর পুরো মাস বিদ্যুৎ ব্যবহারের পর কমবেশি সবাই মনে করি এ মাসে বিদ্যুৎ বিল বেশি
হয়েছে। তাই বিদ্যুৎ বিল
কমানোর উপায় হিসেবে আমাদের প্রতিদিন কিছু সহজ অভ্যাস অনুসরণ করতে হবে। এই
অভ্যাস গড়ে তুললে একদিকে যেমন বিদ্যুৎ বিল কমানো সম্ভব অপরদিকে আপনার এই অভ্যাস
সকলের কাছে আপনাকে স্মার্ট এবং পরিপাটি ব্যাক্তিত্বের অধিকারী হিসেবে
প্রতিষ্ঠিত করবে।
পোস্ট সূচীপত্রঃ প্রিপেইড মিটারে বিদ্যুৎ বিল কমানোর উপায়
প্রিপেইড মিটারে বিদ্যুৎ বিল কমানোর উপায়
আপনার এবং আমার তথা বিদ্যুৎ গ্রাহকদের ব্যবহারের উপর সরাসরি নিয়ন্ত্রণ ফিরিয়ে
আনার জন্যই সরকার প্রিপেইড মিটার ব্যবহার করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
প্রিপেইড মিটার ব্যবহারে পোস্টপেইড মিটারের মত মাস শেষে বিল কম আসার মত সুখবর
পাওয়া অথবা অপ্রত্যাশিত কোন বিশাল অংকের বিলের আতঙ্ক থাকেনা, কিন্তু সঠিকভাবে
বিদ্যুৎ ব্যবহার না করলে, আপনার কষ্টের টাকা দিয়ে রিচার্জকৃত ব্যালেন্স দ্রুত
শেষ হয়ে যেতে পারে।
প্রিপেইড মিটার বিদ্যুতের খাতের একটি আধুনিক সিস্টেম এর একটি অংশ, তারপরেও এই
সিষ্টেম চাইলেও নিজে নিজে যে কোন গ্রহাকের বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিমাণ বেশি অথবা
কম করতে পারে না। এই মিটার তৈরির মূল উদ্দেশ্যই হল আপনি যখন বিদ্যুৎ ব্যবহার
করবেন, সেই বিদ্যুৎ কত পরিমান ব্যবহার করছেন তার সঠিক হিসাব বের করা। প্রিপেইড
মিটারের সিস্টেম আধুনিক হওয়ার কারণে আমাদের দৈনন্দিন জীবনে বাসায় অথবা যে কোন
প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত ছোট ছোট যন্ত্রের মধ্যে যে বিদ্যুৎ ব্যবহৃত
হয় সেটিও সনাক্ত করতে পারে।
বর্তমান AI এর যুগে সব সিস্টেম আধুনিক হয়ে যাচ্ছে, ফলে সকলের জীবনে একটি
গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব পড়ছে, তাই সবাই নিজেদের কে আধুনিক এবং স্মার্ট হিসেবে
প্রতিষ্ঠিত করতে বিভিন্ন বিষয়ের উপর গুরুত্ব দিচ্ছে। আপনি নিজে কে আধুনিক এবং
স্মার্ট হিসেবে গড়ে তুলতে এবং আধুনিক সমাজ ব্যবস্থার সাথে তাল মিলিয়ে চলতে
প্রতিদিনই বিভিন্ন নিত্যনতুন প্রয়োজনীয় গ্যাজেট ব্যবহার করছেন। সে গেজেট গুলো
অধিকাংশই বিদ্যুৎ ছাড়া চলতেই পারে না। আর এসব গেজেট ব্যবহারের ফলে আপনার
বিদ্যুৎ বিল বেড়ে যাচ্ছে, যা অনেকই বুঝতে পারে না। কিন্তু আমরা প্রায় সবাই
প্রতিনিয়তই বিদ্যুৎ বিল কমানো উপায় বের করার চিন্ত করছি।
বিল কেন বেশি হচ্ছে, বোঝার যায়
চেষ্টা করুন
বাসায় বা প্রতিষ্ঠানে কি কি যন্ত্রপাতি ব্যবহার হচ্ছে সেই দিকে আপনার
বিশেষ কোন নজর না থাকলেও, মিটারে রিচার্জকৃত টাকার পরিমান কমে যাওয়ার প্রতি আপনার
বেশি মনোযোগ থাকে। মনের মধ্যে সব সময় একটি কথাই ঘুরপাকখায়
কিভাবে বিদ্যুৎ বিল কমানোর উপায় বের করা যায়। এই মুহুর্তে কি ব্যবস্থা নিলে বিদ্যুৎ বিল কম কমানো যাবে, এসব ভাবতে
ভাবতে অনেক সময় ব্যয় করলেও সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে অনেক সমস্যা হয় এবং শেষ
পর্যন্ত কোন উপায় না পেয়ে হাল ছেড়ে দিয়ে প্রি-পেইড মিটার কে অথবা বিদ্যুৎ বিভাগকে অযথাই গালাগালি করেন।
বিদ্যুৎ বিল কমানোর উপায় হিসেবে আমাদের কে অবশ্যই মনে রাখতে হবে যে, আমরা
প্রতিদিন বাসায় অথবা প্রতিষ্ঠানে যে কাজ গুলো করি সেটার জন্য
- বিদ্যুৎ কিভাবে ব্যবহার করছি?
- কি কারণে ব্যবহার করছি?
- কখন ব্যবহার করছি?
এই ছোট ছোট বিষয়গুলো যদি আমরা মাথায় রাখি তাহলে আমাদের বিদ্যুৎ বিল কমানোর
উপায় হিসেবে অনেক কিছু চলে আসবে, যা মাস শেষে বিদ্যুৎ বিলের বিশাল পার্থক্য
দেখিয়ে দেবে।
-
বিদ্যুৎ কিভাবে ব্যবহার করছি?
আপনি যখন আপনার প্রয়োজনীয় ইলেক্ট্রিক আইটেম ব্যবহার করবেন তখন অবশ্যই একটা
বিষয় খেয়াল রাখবেন যে, আপনি একসাথে কতগুলো ইলেক্ট্রিক আইটেম ব্যবহার করছেন। আপনি যখন একসাথে অনেকগুলো ইলেক্ট্রিক আইটেম ব্যবহার করবেন তখন আপনার মিটার এর উপর চাপ পড়ে এবং এর
ফলে মিটারে চাহিদা মোতাবেক বিদ্যুৎ সরবরাহ করেতে থাকে।
প্রতিটি বিদ্যুৎ সংস্থা বাসায় ব্যবহৃত মিটাররে জন্য সাধারনত ২ কিলো ওয়াট লোড দিয়ে থাকে। প্রি-পেইড মিটার যেহেতু আধুনিক প্রযুক্তি দিয়ে তৈরি তাই এর সেন্সর আপনার
ব্যবহৃত বিদ্যুৎ এর সাথে নির্দিষ্ট লোড এর পার্থক্য পর্যবেক্ষণ করে এবং সেই
মোতাবেক ব্যালেন্স কাটতে থাকে। তাই আপনাকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে, মিটার এর
নির্দিষ্ট লাড অনুযায়ী বিদ্যুৎ ব্যবহার করা। অর্থাৎ আপনি যদি ২ কিলো ওয়াট লোড
নিয়ে থাকেন এবং ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করেন যা ২ কিলো লোড এর চেয়ে বেশি লোড নেয়
তাহলে বিল বেশি হবেই।
আমাদের মধ্যে অনেকেই আছে যারা বিদ্যুৎ ব্যবহারে উদাসীন। বিদ্যুৎ কি কারনে
ব্যবহার করছি সে বিষয়ে কোন গুরুত্ব দেই না। অনেকে আছেন যারা বাসায় পর্যপ্ত
আলো থাকা সত্বেও লাইট জ্বালিয়ে রাখে, একটা লাইট প্রয়োজন কিন্তু একের অধিক
লাইট জ্বালিয়ে রাখে। এসি চলছে, কিন্তু তারপরও ফ্যান চালিয়ে রাখে।
যখন ইলেক্ট্রিক আইটেম কি করনে ব্যবহার করছি এই বিষয়টি খেয়াল করবেন তখন আপনি নিজেই বিদ্যুৎ
বিল কমানোর উপায় বের পেয়ে যাবেন।
আপনাকে অবশ্যই বিদ্যুৎ ব্যবহারের সময় এর দিকে খেয়াল রাখতে হবে। আমাদে দৈনন্দিন
জীবনে যে সকল কাজ করতে বিদ্যুৎ এর ব্যবহার বেশি হয় , সেই সময় গুলোর বিষয়ে সচতেন
হলেই আপনি বিদ্যুৎ বিল কমানোর উপায় পেয়ে যাবেন। সহজ কথায় আপনাকে “পিক আওয়ার”
এবং “অফপিক আওয়ার” নির্বাচন করতে হবে। “পিক আওয়ার” এ বিদ্যুৎ ব্যবহার কমে
করে “অফপিক আওয়ার” এ বিদ্যুৎ বেশি ব্যবহার করলেও আপনি বিদ্যুৎ বিল কমানোর
দারুন একটা উপায় পেয়ে যাবেন। “পিক আওয়ার” এবং “অফ পিক আওয়ার” এর বিষয়ে আমি নিচে
বিস্তারিত আলোচনা করেছি, আশা করি সেটা পড়লে প্রি-পেইড মিটারে বিদ্যুৎ বিল
কমানোর উপায় সহজেই উপলব্ধি করতে পাবেন ।
মিটারের ব্যালেন্স ও ইউনিট নিয়মিত পর্যবেক্ষন করুন
প্রিপেইড মিটারে বিদ্যুৎ বিল কমানোর উপায় হিসেবে সবচেয়ে সহজ একটা মাধ্যম হচ্ছে
নিয়মিত মিটারের ব্যালেন্স ও ইউনিট পর্যবেক্ষণ করা। এই একটা অভ্যাস খুবই
গুরুত্বপূর্ণ। আপনি যদি প্রতিদিন আপনার মিটারে নির্দিষ্ট একটা সময়ে ব্যালেন্স ও
ইউনিট পর্যবেক্ষণ করেন, তাহলে কোন সময় বিদ্যুৎ বিল বেশি ব্যবহার হচ্ছে আবার কোন
সময় বিদ্যুৎ ব্যবহার কম হচ্ছে এই বিষয়টির খুঁটিনাটি আপনি জানতে পারবেন। এর ফলে
আপনার বাসায় অথবা প্রতিষ্ঠানে ব্যবহৃত যে সকল ইলেকট্রনিক আইটেম আছে সেগুলো কি
পরিমান বিদ্যুৎ ব্যবহার করছে এবং সেই ব্যবহারের বিপরিতে কি পরিমান বিদ্যুৎ বিল
উঠছে সেটি সম্পর্কে সঠিক ধারণা পাওয়া যাবেন।
তাছাড়া মিটারে ব্যালেন্স ও ইউনিট নিয়মিত পর্যবেক্ষনের কারণে আপনার মিটারে
ব্যালেন্স শেষ হয়ে যাওয়ার মত অনাকাঙ্ক্ষিত বিদ্যুৎ বিভ্রাট এর কোন আশঙ্কা থাকবে
না। আমাদের মাঝে অনেক লোক আছেন যারা প্রিপেইড মিটারে রিচার্জের পরে আর ব্যালেন্স
চেক করেন না, বিধায় হঠাৎ করেই যেকোন সময় তাদের বাসায় বিদ্যুৎ বন্ধ হয়ে যায়। আর
যদি সেটা গভির রাতে অথবা কোন একটা বিশষ অনুষ্ঠানের মুহুর্তে হয় তাহলে তো খুবই
অস্বস্তিকর পরিবেশ তৈরী করবে। তাই এই অভ্যাস টি আমাদের সকলের গড়েতোলা উচিৎ।
পিক আওয়ার” এবং “অফ পিক আওয়ার” সম্পর্কে জানুন
বাংলাদেশ তথা বিশ্বের যে কোন দেশে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুতের ব্যবহার নিশ্চিত করার
জন্য সকল বৈদ্যুৎতিক সংস্থা/প্রতিষ্ঠান এমনকি দেশের সরকার সকল বিদ্যুৎ গ্রাহক কে
পিক পাওয়ার এবং অফ পিক আওয়ার সম্পর্কে ধারণা দিয়ে থাকে। আপনি যদি এই
বিষয়টি না জেনে থাকেন, তাহলে কোন সমস্যা নেই এখন জানতে পারবেন। আমাদের দেশে যারা
পিক আওয়ারে বিদ্যুৎ ব্যবহার করেন তাদের বিদ্যুতের বিল বেশি আসে আবার যারা অফ পিক
আওয়ারে বিদ্যুৎ ব্যবহার করেন তাদের বিদ্যুৎ বিল কম আসে। এটা একটা খুবই সাধারণ
বিষয় , তাই আসুন এ বিষয় টি নিয়ে আলোচনা করি।
“পিক আওয়ার” এই শব্দটি শুনলেই মনে হয়, এটা এমন একটা সময় যে সময়ে সকলকে
বিদ্যুৎ পিক করার জন্য বলা হচ্ছে বাংলায় বলতে গেলে বিদ্যুৎ নেয়ার জন্য বলা
হচ্ছে। তাই বুঝতেই পারছেন এই সময়টিতে কি পরিমাণ বিদ্যুৎ প্রয়োজন। এই
সময়টি হচ্ছে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা সময়। আমাদের দেশে তথা বাংলাদেশে সাধারণত
বিকেল ০৫টা থেকে রাত ১১ টা পর্যন্ত এই সময়টিকে পিক আওয়ার ধরা হয় এবং এই সময়
বিদ্যুতের চাহিদা সর্বোচ্চ পরিমাণে থাকে।
সারাদিন কর্মব্যস্ত জীবনের সকল ব্যস্ততা ফেলে যখন সবাই বাসায় আসে তখন বিকেল
গড়িয়ে সন্ধ্যা হয়ে যায়। স্কুল, কলেজ এবং মাদ্রসার শিক্ষার্থীগণও এই সময়টিতে পড়তে বসে ফলে সবার জন্য লাইট, ফ্যান চলে এমন কি, কিছু
পরিবারে এসিও চলে। প্রায় প্রতিটি বাসায় লাইট ও ফ্যান চলবেই, রাতের জন্য রান্না
শুরু হয়, রাস্তার লাইট থেকে শুরু করে বিভিন্ন শোরুম এর বিল বোর্ড জ্বলতে থাকে।
একসাথে বেশি বিদ্যুতের চাহিদার কারণে বিদ্যুৎ গ্রিড এর উপর চাপ পড়ে ফলে
বিদ্যুৎ বিভ্রাট সহ লো-ভোল্টেজ দেখা দিতে পারে। অতিরিক্ত চাপের কারণে লো-ভোল্টেজ হলে, আপনার
বাসায় ব্যবহৃত ইলেকট্রিক আইটেমগুলোকে চালু রাখার প্রয়োজনে মিটার এই লো-ভোল্টেজ
এর ঘাটতি পূরণের জন্য বেশি পরিমাণ বিদ্যুৎ খরচ করে। ফলে বিদ্যুতের
ব্যবহার বেশি হয় এবং ব্যালেন্স তাড়াতাড়ি শেষ হয়।
“অফ পিক আওয়ার” এই শব্দটি শুনলেই মনে হয়, এটা এমন একটি সময় যে সময় সব
কিছু অফ অথবা বন্ধ থাকে। বাস্তবে তাই হয় তবে একটু সংশোধন হচ্ছে সবকিছু বন্ধ
থাকে না অর্থাৎ এই সময়টিতে বেশিরভাগ মানুষ বাইরে থাকে এবং একটা বড় অংশ দিনের
আলো থাকে তাই বিদ্যুতের চাহিদা কম থাকে। ফলে গ্রিডের উপর চাপ থাকে কম বিধায় সকল
বিদ্যুৎ গ্রাহক সঠিক পরিমাণের বিদ্যুৎ এবং ভোল্টেজ পায়, এই কারনে মিটারে বাড়তি
কোনো চাপ পড়ে না অতিরিক্ত ব্যালেন্সও কর্তন করা হয়না। বাংলাদেশের সাধারণত রাত
এগারোটা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত এই সময়টিকে অফ পিক আওয়ার হিসেবে ধরা হয়। এই
সময়ে যারা বৈদ্যুতিক আইটেম চালাবে তাদের অতিরিক্ত বিদ্যুৎ খরচ হবে না। তাই
বিল ও কম আসবে। তাই বলতে পারি “অফ পিক আওয়ার” হচ্ছে বিদ্যুৎ বিল কমানোর উপায়।
বাসায় প্রয়োজন ছাড়া অতিরিক্ত কোন লাইট জ্বালিয়ে অথবা ফ্যান চালু রাখা যাবে না।
ভাবছেন একটু বাইরে যাব আর আসবো লাইট অথবা ফ্যান টি বন্ধ করার দরকার নেই। বাইরে
পর্যাপ্ত আলো আছে তারপরও আপনি লাইট জ্বালিয়ে রেখেছেন। শোবার ঘর ওয়াশরুম বারান্দা
এসব স্থানে বেশি আলো দেয় এমন লাইট ব্যবহার না করা, কারন এই স্থান গুলোতে যেহেতু
আপনার যোতয়াত কম সেহেতু আলো কম হলেও কোন সমস্যা হবে না। যে ঘরে লোকজন নেই সে ঘরে
লাইট ফ্যান চালু আছে কিনা সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে। ঘরে কেউ না থাকলে অযথা লাইট
অথবা ফ্যান চালিয়ে রাখবেন না। আপনার বাসায় ২৪ ঘন্টার মধ্যে যদি কোন লাইট অথবা
ফ্যান অযথাই ১ অথবা ২ ঘন্টা চলে, আরে এই বিষয়টি যদি প্রতিদিন হয় তাহলে মাস শেষে
কি অবস্থাই না হবে। তাই এইসব সাধারণ এবং ছোট ছোট বিষয় গুলোই যদি আপনি সহজে
পরিচালনা করেন তাহলে বিদ্যুৎ বিল কমবেই।
ফ্রিজ এর সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করুন
যে কোন বাসায় ফ্রিজ এমন একটি যন্ত্র যেটি দিনে রাতে ২৪ ঘন্টায় সচল রাখতে হয়। একটি
বাড়িতে যে পরিমাণ বিদ্যুৎ বিল আসে সেই বিলের ৪০ শতাংশই ফ্রিজ ব্যবহারের জন্য
হয়। বর্তমান সময়ে আমাদের সমাজে ফ্রিজ একটি অপরিহার্য বস্তু, যেটা না থাকলে
একটি সংসারে অপূর্ণ থেকে যায়। আপনি আপনার বাসায় যে ফ্রিজ ব্যবহার করছেন সেটার
কারণেও বিদ্যুৎ বিল বেশি আসতে পারে। তাই বিদ্যুৎ বিল কমানোর উপায় হিসেবে আপনার
বাসায় প্রয়োজন অনুযায়ী অবশ্যই ভালো ব্র্যান্ডের একটি ফ্রিজ থাকতে হবে।
আপনার সাংসারিক চাহিদা মোতাবেক ফ্রিজ নির্বাচন করা জরুরী। বাসায় যদি পুরনো
ফ্রিজ থাকে তাহলে সেই ফ্রিজটি পরিবর্তন করাই ভালো। কারণ পুরাতন মডেলের
ফ্রিজগুলো বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী নয়। তাই আপনার জন্য পুরাতন ফ্রিজের পরিবর্তে নতুন
ফ্রিজ কেনাই ভালো হবে। ফ্রিজ কেনার সময় কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে হয় যেমন
ব্র্যান্ড, ফ্রিজটি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী কিনা, ফ্রিজের ভিতরে পর্যাপ্ত
জায়গা থাকবে কিনা। আপনাকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে আপনি যে
ফ্রিজটি ব্যবহার করছেন সেটি কতক্ষণ চলছে কি পরিমান ঠান্ডা
হচ্ছে। কিছুদিন পর্যবেক্ষণ করলে আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন যে আপনার ফ্রিজ
থেকে কি পরিমাণ বিদ্যুৎ বিল কর্তন করা হচ্ছে।
তাছাড়া আপনার বাসায় যদি ছোট সন্তান থাকে বা এমন কেউ আছে যে সব সময় অযথাই ফ্রিজ
বারবার খুলছে আবার লাগাচ্ছে বা আপনি নিজেই কাজের প্রয়োজনে ফ্রিজের দরজা খুলেছেন
কিন্তু লাগাতে অনেক দেরি করছেন এতে করে ফ্রিজের ভিতরের ঠান্ডা পরিবেশ ঠিক থাকছে
না তখন ফ্রিজ খাবার ঠান্ডা করার জন্য বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহার করবে। খুব বেশি
প্রয়োজন না হলে ফ্রিজ বারবার খুলতে দিবেন না। রান্নার জন্য যেগুলো প্রয়োজন
রান্নার এক ঘন্টা বা দু ঘন্টা আগে বের করে রাখুন তাহলে ফ্রিজের উপর চাপ কমবে। আর
এভাবেও আপনি বিদ্যুৎ বিল কমানোর উপায় বের করতে পারেন।
বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী লাইট ও ফ্যান ব্যবহার করুন
বাসা বাড়িতে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় লাইট এবং ফ্যান। প্রতিটি বাসায়
প্রয়োজনের তুলনায় বেশি লাইট দেখা যায়। এই লাইটগুলো বিভিন্ন প্রকারের হয়ে
থাকে। কোনগুলো বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী আবার কোনগুলো বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী
নয়। অনেক বাসায় বড় বড় ঝাড়বাতিও দেখতে পাওয়া যায়। আপনার প্রয়োজন
অনুযায়ী এসব ঝাড়বাতি অথবা লাইট এর ব্যবহার নিশ্চিত করুন। যদি বিশেষ কোনো
প্রয়োজন না থাকে তাহলে এগুলোকে লোক দেখানোর জন্য জ্বালিয়ে রাখবেন না। তাহলে
বিদ্যুৎ বিল বেশি আসবে। অনেকে আবার নিজের বাসাকে সবার সামনে তুলে ধরার জন্য
বাড়ির বাইরে আলোকসজ্জার ব্যবস্থা করে রাখে। বিদ্যুৎ বিল কমানোর উপায়
হিসেবে এইসব আলোকসজ্জা অথবা অতিরিক্ত লাইট এর ব্যবহার বন্ধ করাই উত্তম।
বাসা বাড়িতে আরেকটি বড় প্রয়োজন হচ্ছে ইলেকট্রিক ফ্যান। প্রতিটি ঘরে একটি
করে সিলিং ফ্যান থাকে, আবার কোন কোন বাসায় সিলিং ফ্যান
এর পাশাপাশি টেবিল ফ্যানও থাকে। বিদ্যুৎ বিল কমানোর জন্য আপনাকে
অবশ্যই একটি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে যখন আপনি সিলিং ফ্যান ব্যবহার করবেন তখন যেন
টেবিল ফ্যান চালু না থাকে, আবার যদি টেবিল ফ্যান চালু করেন তাহলে যেন সিলিং ফ্যান
না চলে। পরিবারের সদস্যরা যদি একসাথে খাবার খায়, একসাথে টিভি দেখে
তাহলে এই সময় অন্য ঘরের ফ্যান বন্ধ থাকবে, এই অভ্যাসটি করলেও আপনার অনেক
বিদ্যুৎ বিল সাশ্রয় হবে। পরিবারের সকল সদস্যকে এই অভ্যাসটি মেনে চলার
তাগিদ দিন তাহলে সবাই বিদ্যুৎ বিল কমানোর চেষ্টা করবে।
এসি ব্যবহারে সচেতন হন
গ্রীষ্মকালে শহরে যে অসহ্য গরম পড়ে সে হিসেবে এসি একটি অপরিহার্য বিষয় হয়ে
দাঁড়িয়েছে। এখন ইট পথরের শহরে এসি ছাড়া থাকা খুবই কষ্টকর। এসির সঠিক ব্যবহার করতে না পারলে বাড়তি বিলের ঝামেলা পোহাতে হবে। আপনি যদি
ঘরের দরজা, জানালা খোলা রেখে এসি চালু রাখেন, তাহলে এসি দীর্ঘক্ষন চালিয়ে রাখলেও আপনারের তাপমাত্র নিয়ন্ত্রন করতে পারবেন না। আবার আপনার
জানালায় পর্দা না থকলে সূর্যের আলো সরাসরি আপনার ঘরে প্রবেশ করবে ফলে এসি চললেও
আপনি প্রয়োজনীয় তাপমাত্রা পাবেন না। এই জন্য বিদ্যুৎ বিল কমানোর উপায় হিসেবে আপনাকে এসি চালানো অবস্থায় দরজা, জানালায় বন্ধ
অথবা ভারী পর্দার ব্যবস্থা করতে হবে। আপনার বাসায় ব্যবহৃত এসি এসি ইনভার্টার কিনা এটা লক্ষ্য করুন। এসি ইনভার্টার না হলে বিদ্যুৎ বিল কমার আশা খুবই কম। আর যদি এসি কেনার চিন্তা করছেন তাহলে বিদ্যুৎ বিল কমানোর জন্য অবশ্যই ইনভার্টার এসি কিনতে হবে।
বাইরে থেকে এসেই সরাসরি এসির সর্বনিম্ন তাপমাত্রায় বসে থাকবেন না
এতে নিজের এবং আপনার পরিবারের সদস্যদের স্বাস্থ ঝুকি বাড়বে। হঠাৎ গরম থেকে ঠান্ডার
মধ্যে বসে থাকলে আমাদের শরীরে ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে। তাই স্বাস্থ ঝুকি এবং বিদ্যুৎ বিল কমানোর উপায় বের করার জন্য অবশই এসির সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত
করুন। স্বাস্থ ঝুকি এড়াতে এসি সব সময় ২৫ থেকে ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার মধ্যে চালাবেন তাহলে
এসির উপর বাড়তি প্রেশার পড়বে না এবং স্বাস্থ ভালো থাকবে। কোম্পানির দাবি
১ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বাড়ানোর কারনে প্রায় ৬% বিদ্যুৎ
সাশ্রয় হয়। রাতে ঘুমানোর সময় অবশ্যই এসিতে টাইমার সেট করবেন। কারণ শেষ রাতে তাপমাত্রাতে
এমনিতেই কমে যায় ফলে আপনি যখন টাইমার সেট করবেন তখন এসি নির্দিষ্ট সময়ে নিজে
নিজে বন্ধ হয়ে যাবে তাহলে বিদ্যুৎ অযথাই ব্যবহার হবে না আর আপনি বিদ্যুৎ বিল কমানোর উপায় পেয়ে যাবেন।
চাহিদা অনুযায়ী পানির মটর নির্বাচন
করুন
বাসায় পানি তোলার জন্য যে মটর ব্যবহার করেন সেটি আপনাকে সঠিক সময়ে পানি দিচ্ছে
কিনা তা পর্যবেক্ষন করুন। বাজারে বিভিন্ন ব্রান্ড ও বিভিন্ন হর্সপাওয়ারের পানির
মটর পাওয়া যায়। আপনার বাসার সদস্য সংখ্যা এবং ট্যাংক এ দ্রুত পানি ধারনের জন্য
প্রয়োজন অনুযায়ী মটর ক্রয় করতে হবে। মনে রাখবেন ছোট অথবা কম হর্সপাওয়ারের মটর
দ্রুত পানি তুলতে পারেনা। তাই মনে রাখবেন মটর যত বেশি চলবে বিদ্যুৎ বিল তত বেশি
আসবে। যখন আপনি সঠিক পানির মটর নির্বাচন করবেন তখন বিদ্যুৎ বিল কমানোর উপায়
পেয়ে যাবেন।
শীতকালের তুলনায় গ্রীষ্মকালে প্রচুর গরম থাকে এবং শরীর ঘন ঘন ঘেমে
যায়। অস্বস্তিকর এই সময় গরম থেকে বাঁচার জন্য বিশেষ করে পরিবারের ছোট
বাচ্চারা বারবার গোসল করতে চায় এবং ওয়াশ রুমে ঢুকলে বের হতে চায় না। তাই
তাদেরকে পানির সুষম ব্যবহার সর্ম্পেকে বিশেষ নির্দেশনা দিন। বাসায় পানি যতক্ষণ
সাশ্রয় হবে ততক্ষণ পানির জন্য মটর চালু করতে হবে না।
বিদ্যুৎখেকো যন্ত্র সনাক্ত এবং ব্যবহার সিমিত করুন
ফ্রিজ ছাড়া আরো কিছু যন্ত্র বাসায় ব্যবহৃত হয়। সেগুলো হচ্ছে ওভেন, ব্লেন্ডার,
রাইস কুকার, ইলেকট্রিক চুলা, ওয়াসিং মেশিন, ড্রায়ার, এয়ার ফ্রায়ার, রুম হিটার,
গিজার, টিভি, সাউন্ড সিস্টেম, এসি ইত্যাদি। উল্লেখিত আইটেম গুলোর মধ্যে
ব্লেন্ডার, রাইস কুকার এবং ইলেক্ট্রিক চুলা প্রায় সব বাসায় আছে। দৈনন্দিন কাজে
এগুলোর ব্যবহার খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিদ্যুৎ বিল কমানোর উপায় বের করার জন্য
আপনাকে বুঝতে হবে এসব যন্ত্র গুলোর মধ্যে কোন যন্ত্রটি আপনার বাসার বিদ্যুৎ বেশি
খেয়ে নিচ্ছে। উদাহরণ স্বরুপ বলাযেতে পারে যে, ইলেকট্রিক চুলা ২ প্রকার হয়
একটি ইন্ডাকশন চুলা আর এরকটি ইনফ্রারেড চুলা। এই দুটির মধ্যে ইনফ্রারেড চুলা বেশি
বিদ্যুৎ ব্যবহার করে।
আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী ফ্রিজ নির্বাচন করুন, এতে ঘরের জায়গা কম ব্যবহার হবে
এবং বিদ্যুৎ বিল কমানোর উপায় বের করতে পারবেন। শীতকালে গিজার সবসময় চালু
রাখবেন না। ব্যবহারের ১৫ থেকে ২০ মিনিট আগে চালু করুন এবং ব্যবহার শেষে আবার সিইচ
বন্ধ রাখুন। এভাবে আপনার বাসায় অব্যবহৃত ইলেকট্রিক যন্ত্র গুলোকে বিদ্যুৎ সংযোগ
থেকে একেবারে বিচ্ছিন্ন রাখুন। এত আপনি যেমন বিদ্যুৎ এর ব্যবহার কমালেন তেমন হঠাৎ
করে উৎপন্ন হাই ভোল্টেজ এর কারনে ইলেকট্রিক যন্ত্রগুলো ক্ষতির হাতে থেকে
রক্ষা পাবে। তাই যে সকল যন্ত্র ব্যবহার করলে বিদ্যুৎ বেশি খরচ হয় সেই সকল বিদ্যুৎ
খেকো যন্ত্র গুলো আপনি যতটা সম্ভব কম ব্যভহার করবেন।
মিটারের চার্জ বুঝে রিচার্জ করুন
আপনি যখন প্রি-পেইড মিটারে রিজার্জ করবেন, তখন অবশ্যই লক্ষ্য রাখবেন যে, আপনি
কতটাকা রিচার্জ করেছেন, মিটারে কত টাকা যোগ হয়েছে এবং কি কি খাতে টাকা কেটে নিয়েছে। সব
বিদ্যুৎ কোম্পানির নিয়ম, ট্যারিফ ও রিবেট এর পরিমান এক নয়। তাই আপনি যে কোম্পানির গ্রাহক
সেই কোম্পানির নির্দেশনা পর্যালোচান করলে আপনার প্রয়োজনীয় তথ্য পেয়ে যাবেন। মাসের
প্রথমেই রিচার্জ করা অথবা মিটারে অবশিষ্ট টাকার সাথে মিলিয়ে রিচার্জ করলে বিল
কম আসবে এমন ধারণা করা ভুল। প্রি-পেইড মিটারে বিদ্যুৎ বিল কমানোর উপায় হিসেবে আপনি একটা কাজ অবশ্যই করবেন
সেটা হলো, পূর্বের মাস গুলোতে কত টাকা রিচার্জ করেছেন এবং কি ভাবে বিদ্যুৎ
ব্যবহার করছেন। আপনি যদি এই কাজটি ধর্য্য নিয়ে করতে পারেন তাহলে আপনার বাসায়
বিদ্যুৎ এর সুসম ব্যবহার নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিদ্যুৎ বিল কমানোর উপায়ও বের করতে পারবেন।
বিদ্যুৎ অপচয় করতে বাধা দিন
আপনার পরিবারের ছোট সদস্যা একটু বেশি চঞ্চল হয় তাই তারা কোন কিছু সঠিক নিয়মে করতে
চায়না এটা স্বাভাবিক। আপনি সচেতন হলেন কিন্তু আপনার অবর্তমানে অথবা আপনার অগোচরে
পরিবারের সদস্যরা বিদ্যুৎ এর অপচায় করছে, তাহলে বিদ্যুৎ বিল কমানোর উপায় কি?
কোন রকম সংকোচ না করে তাদের কে নিয়ে বসুন এবং ভালো করে বুঝি দিন বিদ্যুৎ বিল
কমানোর জন্য বিদ্যুৎ এর সঠিক ব্যবহার কি ভাবে করতে হয়। আপনার কথা হঠাৎ করে মানবে
এমনটা নাও হতে পারে। তখন তাদের কে বিভিন্ন খেলার ছলে অথবা পুরস্কার দিয়ে তাদের কে
উৎসাহিত করুন। উল্টো আপনি তাদের কাছে জানতে চান বিদ্যুৎ বিল কমানোর উপায় কি
কি, আশা করি তারা আপনার এই প্রশ্নের উত্তর দেবার সাথে সাথে সচেতনও হয়ে
যাবে।
আপনার পরিবারের সদস্য যারা আছে তাদের কে কিছু সুন্দর ও গঠনশীল অভ্যাস গড়ে তোলার
বিষয়ে উৎসাহিত করুন। যেমনঃ
- অতিরিক্ত পানির অপচয় না করে গোসল করা।
- ঘর থেকে বের হলে অবশ্যই লাইট ও ফ্যান বন্ধ করা।
- প্রয়োজন অনুযায়ী ফ্রিজ খোল ও বন্ধ রাখা।
- ফ্যান এর বাতাসে কাজ হলে এসি চালু না করা।
- প্রাকৃতিক আলো বাতাস বেশি ব্যবহার করা।
- মোবাইল ও কম্পিউটারে বেশি সময় না দেওয়।
পরিবারের এই অভ্যাস গুলো সঠিক ভাবে গড়ে উঠাই হলো মিটারে বিদ্যুৎ বিল কমানোর
উপায়।
শেষ কথাঃ লেখকের মন্তব্য
পরিশেষে একটা কথাই বলা যাচ্ছে যে, প্রিপেইড মিটারে বিদ্যুৎ বিল কমানোর উপায় অনেক
বের করা যাবে, কিন্তু আপনাকে এবং আপনার পরিবার এর সকল সদস্যকে এ বিষয়টি নিয়ে
সচেতন থাকতে হবে। আপনার বাসায় পুরাতন ইলেকট্রনিক্স আইটেম যেগুলো বেশি বিদ্যুৎ
খরচ করে, সেগুলোকে পরিবর্তন করে নতুন আইটেম নেওয়া যেতে পারে। যদি সেটা সম্ভব না
হয় তাহলে প্রয়োজন অনুযায়ী সেগুলোর ব্যবহার সীমিত করা যেতে পারে। পিক এবং অফ
পিক আওয়ার এই বিষয়টি অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে।আমাদের বিদ্যুৎ ব্যবহারের উপরে
নির্ভর করে মিটারে বিদ্যুৎ বিল কিভাবে কমানো যায়। আপনি যদি উপরের কাজগুলো
সঠিকভাবে করতে পারেন তাহলে আশাকরা যায় বিদ্যুৎ বিল কমে যাবে।
বিল কমানোর জন্য খুব জটিল কিছু করতে হয় না। আপনার প্রতিদিনের কিছু ছোট ছোট
অভ্যাসই বিদ্যুৎ বিল কমানোর উপায় হিসেবে বিবেচিত হবে। প্রধমে একটু কষ্ট হলেও যখন
পরিবারের সবাই কে নিয়ে বিদ্যুৎ বিল কমানোর কারন গুলো খুঁজে পাবেন। তখন সকলেই মিলে
এর সামাধান করলে সফলা আসবেই। তাই আমি মনে করি আমার মত আপনাকেউ পরিবারের সকলের
সাথে আলোচনা করে সঠিক সমাধান বেরকরা।
অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url